
প্রকাণ্ড হলঘর জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য ধাতব সেল্ফ। আর তার প্রতিটি খোপে রাখা সাদা প্লাস্টিকের বালতি। পৃথক পৃথক সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রতিটি বালতিকে। কিন্তু এত যত্ন সহকারে কী রাখা আছে এই বালতিগুলিতে?
জানতে হলে পডকাস্টটি শুনুন :-
Feb 26, 2023
4 min

একটা দ্বীপ। যেখানে ছয় মাস বাদে বাদেই বদলে যায় দেশ। মানে ছয় মাস আগে দ্বীপটি যে দেশের ছিল, ছয় মাস পর সেই দ্বীপটিই আবার অন্য দেশের। পৃথিবীর বুকে এমনই একটা দ্বীপ রয়েছে। যার নাম ফেজেন্ট দ্বীপ (Pheasant Island)। ফ্রান্স ও স্পেনের যৌথ মালিকানা রয়েছে ওই দ্বীপে। কোনো বছরের পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ওই দ্বীপটি থাকে স্পেন সরকারের অধীনে। অর্থাৎ, ওই সময় আপনি যদি ওই দ্বীপে পা রাখেন, তা হলে বুঝবেন স্পেনে রয়েছেন। আবার, বছরের পয়লা অগস্ট থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই দ্বীপটি ফ্রান্স সরকারের অধীনে থাকে। এই ভাবে ছয় মাস অন্তর অন্তর দ্বীপটি দুই দেশের মধ্যে অধীনে থাকে। ফেজেন্ট দ্বীপ হল সবচেয়ে ছোট ও পুরনো ‘কন্ডিমিনিয়াম’। অর্থাৎ, এমন একটা অঞ্চল, যেখানে একাধিক দেশ নিজেদের মধ্যে কোনও সীমান্ত ভাগাভাগি না করে সমান ভাবে সেখানে আধিপত্য বিস্তার করে। এ ক্ষেত্রে যেমন ফ্রান্স ও স্পেন যৌথ ভাবে ওই দ্বীপটি চালনা করে। ফ্রান্স ও স্পেনকে আলাদা করেছে বিদাসোয়া নামের একটি নদী। ওই নদীর মাঝখানেই রয়েছে একটা সুন্দর দ্বীপ। আর তার নামই ফেজেন্ট দ্বীপ, যার আয়তন ০.০০৬৮২ বর্গকিমি। তবে, ওই দ্বীপে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ। কিছু নির্দিষ্ট ঐতিহ্য দিবস ছাড়া, ফ্রান্স ও স্পেনের নাগরিকরাও সেখানে যেতে পারবেন না। অনুমতি নেই পর্যটকদেরও। শুধু মাত্র ফ্রান্স ও স্পেনের নৌবাহিনীর সদস্যরাই ওই দ্বীপে যেতে পারেন। দ্বীপটি যখন যে দেশের অধীনে থাকে, তখন সেই দেশ দ্বীপটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বভার সামলায়। রক্ষণাবেক্ষণের জন্যই ওই দ্বীপে পা রাখেন দু’দেশের নৌবাহিনীর সদস্যরা। দু’দেশের নৌবাহিনীর সদস্য ছাড়াও ফ্রান্স ও স্পেনের দুই পুরসভার কর্মীরাও ওই দ্বীপে পা রাখার অনুমতি পান। স্পেনের ইরুন পুর সরকার ও ফ্রান্সের হেনদায়ে পুরসভার কর্মীরা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ওই দ্বীপে যান। মূলত দ্বীপটি সাফাই, বাগানের কাজ সামলান পুরকর্মীরা। ২০১৮ সালের তথ্যমতে, ফেজেন্ট দ্বীপ ২০০ মিটার লম্বা এবং ৪০ মিটার চওড়া৷ ১৬৫৯ সালের ৭ নভেম্বর ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ শেষে স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়েছিল। যা ‘পিয়েরিনিস চুক্তি’ হিসাবে পরিচিত। ফেজেন্ট দ্বীপেই দুই দেশের মধ্যে সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তির পর থেকেই দ্বীপটি ছয় মাস অন্তর অন্তর দুই দেশের অধীনে থাকে। তবে একই সময়ে কখনও ওই দ্বীপটি দুই দেশের অধীনে থাকে না। ইতিহাস বলছে, ফরাসি রাজা চতুর্দশ লুইসের সঙ্গে স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপের মেয়ের রাজকীয় বিয়ের আসর বসেছিল ফেজেন্ট দ্বীপ। এই দ্বীপে কোনও সৌধ নেই। তবে অতীতের ঘটনাবলির কথা উল্লেখ করে একটি স্তম্ভ রয়েছে। স্পেনের দিকে স্তম্ভের গায়ে স্প্যানিশ ভাষায় লেখা রয়েছে সেই বিবরণ। আর ফ্রান্সের দিকে তা লেখা রয়েছে ফরাসি ভাষায়। বছরের পর বছর ধরে দুই দেশের ভরণপোষণে পৃথিবীর বুকে আলো করে রয়েছে এই অনন্য দ্বীপ।
Dec 5, 2022
4 min

জানেন কি পৃথিবীতে এমন এক দেশ আছে যেখানে কোন সাপ নেই!
পৃথিবীতে অনেক অদ্ভুত ঘটনা আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত আসে। আর আমরা ভেবে অবাক হয়ে যাই সেই বাস্তব ঘটনায়। এরকম একটি ঘটনা শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, কিন্তু পুরো আয়ারল্যান্ডে কোনো সাপ নেই!
ইংল্যান্ডের পাশে অবস্থিত প্রায় ৮৪ হাজার বর্গ কিলোমিটারের ছোট একটি দ্বীপ রাষ্ট্র আয়ারল্যান্ড। প্রায় ৫০ লক্ষ অধিবাসীর এই দ্বীপ রাষ্ট্রে ব্যক্তিগতভাবে কিছু শৌখিন ব্যক্তির সংগ্রহে বা চিড়িয়াখানায় অল্প কিছু সাপ দেখা যায়, কিন্তু বনে-জঙ্গলে কোথাও কোনো সাপ নেই। এমনকি দীর্ঘ গবেষণা ও অনুসন্ধান চালিয়েও সেখানে সাপের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি!
আইরিশ ধর্মীয় পৌরাণিক ব্যাখ্যা মতে, আয়ারল্যান্ডে সাপ না থাকার কারণ হচ্ছে "সেইন্ট প্যাট্রিক" নামে এক ধর্মপ্রচারক মন্ত্রের জোরে সকল সাপকে সমুদ্রে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন এবং সাপের হাত থেকে আয়ারল্যান্ডকে মুক্ত করেছিলেন। আনুমানিক ৫ খ্রিস্টাব্দে সেন্ট প্যাট্রিক খ্রিস্টধর্মের প্রচারে আয়ারল্যান্ড পৌঁছন। চল্লিশ দিনের জন্য উপবাসী তপস্যা করতে একটি পাহাড়ে উঠতে শুরু করলে সাপের কবলে পড়েন তিনি। তার পরই আয়ারল্যান্ড থেকে সব সাপ বিদায় করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেই মতো যেখানে যত সাপ ছিল তাদের তাড়া করে একটি শৈলচূড়ার উপর থেকে সমুদ্রে ফেলে দেন। তার পর থেকে আয়ারল্যান্ডে আর কখনও সাপ ঢোকেনি।
বাস্তবে এই ঘটনার কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। তাছাড়া বিজ্ঞানীদের মতে, সেইন্ট প্যাট্রিকের পক্ষে সাপ নির্বাসিত করা সম্ভবই ছিল না। কারণ আয়ারল্যান্ডে কোনোকালেই সাপ ছিল না!
ন্যাশনাল মিউজিয়াম অফ আয়ারল্যান্ডের প্রাকৃতিক ইতিহাস বিষয়ক গবেষক নাইজেল মোনাগানের মতে, আয়ারল্যান্ডে কখনোই কোনো সাপের ফসিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকেই এ অঞ্চলে কোনো সাপ ছিল না।
বিশ্বের সব দেশেই কমবেশি সাপ আছে। কিন্তু তাহলে আয়ারল্যান্ডে কেন সাপ নেই? এর একটি বড় কারণ হচ্ছে, আয়ারল্যান্ড একটি দ্বীপ। মান সাগর দ্বারা গ্রেট ব্রিটেন থেকে এটি বিচ্ছিন্ন। কাছাকাছি স্থলভূমির সাথে আইরিশ সমুদ্রের উপর দিয়ে এর দূরত্ব সর্বনিম্ন ৭০ কিলোমিটার। কোনো সাপের পক্ষে এতো দূরের পথ সাঁতরে পাড়ি দেওয়া সম্ভব না। সামুদ্রিক সাপের কথা অবশ্য ভিন্ন, তারা দীর্ঘসময় পানিতে থাকতে পারে এবং দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে পারে। কিন্তু সামুদ্রিক সাপের বসবাস উষ্ণ জলবায়ুর অঞ্চলগুলোতে। আয়ারল্যান্ডের বরফ-শীতল আটলান্টিক মহাসাগর তাদের বসবাসের জন্য উপযোগী না।
এ হিসেবে অবশ্য এই এলাকার কোনো দ্বীপেই সাপ থাকার কথা ছিল না। কিন্তু আয়ারল্যান্ডের নিকটবর্তী ইংল্যান্ডেই প্রচুর সাপ আছে, এবং ইংল্যান্ডও একটি দ্বীপ-রাষ্ট্র। প্রশ্ন উঠতে পারে, পাশাপাশি দুটো দ্বীপের মধ্যে একটিতে সাপ আছে, অন্যটিতে নেই কেন?
এর উত্তর নিহিত আছে আয়ারল্যান্ডের সৃষ্টির ইতিহাসে। এক সময় আয়ারল্যান্ড বা ইংল্যান্ড কোনো দেশেই কোনো সাপ ছিল না। বরফ যুগে এই দ্বীপগুলো সরীসৃপ জাতীয় প্রাণীর বসবাসের জন্য উপযোগী ছিল না। কারণ শীতল রক্ত বিশিষ্ট সরীসৃপ শ্রেণীর প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য আশেপাশের পরিবেশ থেকে তাপ শোষণ করতে হয়। এরা নিজেদের শরীরের তাপমাত্রা নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
আজ থেকে প্রায় ১০,০০০ বছর আগে যখন সর্বশেষ বরফ যুগের অবসান হতে থাকে এবং বরফ গলতে শুরু করে, তখন প্রথম দিকে আয়ারল্যান্ডের সাথে ইংল্যান্ডের এবং ইংল্যান্ডের সাথে ইউরোপের যাতায়াতের স্থলপথ বিদ্যমান ছিল। বরফের আচ্ছাদনে তৈরি এসব সরু সেতুবন্ধনের মতো স্থলভাগের উপর দিয়েই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করা যেত। কিন্তু পৃথিবী যত উষ্ণ হতে থাকে, এসব বরফের সংযোগপথ ততোই গলতে থাকে এবং একসময় সমুদ্রে বিলীন হয়ে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত করে।
আয়ারল্যান্ডের সাথে ইংল্যান্ডের সংযোগ পথটি সমুদ্রের বুকে বিলীন হয় আজ থেকে প্রায় ৮,৫০০ বছর আগে। ততদিনে বাদামী ভালুক, বন্য শূকর, এবং বন বিড়াল সহ বেশ কিছু প্রাণী আয়ারল্যান্ডে স্থান করে নিলেও সরীসৃপরা তখনও সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। সেই তুলনায় ইংল্যান্ডের সাথে ইউরোপের সংযোগ পথটি আরও বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। আয়ারল্যান্ড বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হওয়ার আরও ২,০০০ বছর পরে, অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৬,০০০ বছর আগে ইংল্যান্ডের সাথে ইউরোপের সংযোগ পথ সমুদ্রে ডুবে গিয়ে ইংল্যান্ডকে দ্বীপে পরিণত করে।
ততোদিনে অন্যান্য অনেক প্রাণীর সাথে সাথে সাপেরও অন্তত তিনটি প্রজাতি (গ্রাস স্নেক, অ্যাডার স্নেক এবং স্মুথ স্নেকের তথ্য পাওয়া যায়) ইংল্যান্ডের মাটিতে নিজেদের আবাসভূমি তৈরি করে ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন প্রাণী ইউরোপ থেকে আয়ারল্যান্ডের তুলনায় ইংল্যান্ডে যাওয়ার জন্য অন্তত ২,০০০ বছর বেশি সময় পেয়েছিল।
লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির হেলথ সায়েন্স সেন্টারের পরিচালক মার্ক রায়্যান বলেন, আয়ারল্যান্ডে কোনো সাপ নেই, তার কারণ আবহাওয়া তাদের উপযোগী নয়।
Nov 25, 2022
8 min

কানে তালা লাগার জোগাড় হতে পারে এই চিংড়ির কাছেপিঠে থাকলে। এমনি তার আওয়াজের জোর! আওয়াজ করতে দাঁড়ই তাদের সম্পদ।
একটা ছোট্ট চিংড়ি। তার যে এমন আওয়াজের জোর তা সামনে না গেলে বোঝা যাবেনা। কানে তালা লাগানো আওয়াজ তার। চিংড়ির সাইজ দেখলে কিন্তু বিশ্বাস করা কঠিন।
খুব বেশি হলে ৫ সেন্টিমিটার সাকুল্যে। কড়ে আঙুলের মত হবে। তাতেই যে কামাল এই চিংড়ি দেখায় তাতে গোটা বিশ্ব তাকিয়ে থাকতে পারে।
এই ছোট্ট চিংড়ির নাম স্ন্যাপিং চিংড়ি। কেন স্ন্যাপিং চিংড়ি? তার পিছনেও রয়েছে কারণ। চিংড়ির যে দাঁড় থাকে তা সকলের জানা।
এই চিংড়ির একটি দাঁড় হুবহু পিস্তলের মত দেখতে হয়। সেই দাঁড়ের সামনের অংশটি অনেকটাই বাঁকাতে পারে স্ন্যাপিং চিংড়ি। আর সেটাই তার প্রধান হাতিয়ার।
ওই পিস্তলের মত দেখতে দাঁড় দিয়ে এই চিংড়ি ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের ওপর গতিতে জল ছেটাতে পারে। এই জল ছেটানোর সময়ই তীব্র বিকট একটা শব্দ বেরিয়ে আসে। যা কান ঝালাপালা করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আওয়াজ করা যে প্রাণিগুলি রয়েছে তাদের মধ্যে এই খুদে চেহারার স্ন্যাপিং চিংড়ি অন্যতম। মাঝে মাঝেই তারা প্রবল গতিতে জল ছাড়ে। যা শব্দ তৈরি করার পাশাপাশি জলের তলায় সেই জায়গায় একটা আলোড়ন তৈরি করে।
বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, স্ন্যাপিং চিংড়ি এতটাই তীব্র শব্দ করতে পারে যে সেই শব্দের চোটে অ্যাকোয়ারিয়ামের কাঁচ পর্যন্ত ফেটে যেতে পারে।
Nov 18, 2022
3 min

বাঙালি হিন্দুদের বাড়িতে প্রতি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মা লক্ষীর পূজার্চনা হয়, ব্রতকথা ও পাঁচালী পাঠ করা হয়। কিন্তু, কোন দিন পুজো করলে মা লক্ষীর প্রসাদ লাভ করা যায়! ধনসম্পদ পেতে হলে কীভাবে মায়ের পূজা করা উচিত! শাস্ত্র এ বিষয়ে কী বলেছে, আসুন জেনে নিই!
Nov 7, 2022
10 min

জিম্বাবুয়ের ডোমা জনগণ পৃথিবীর যে কোনো স্থানে অন্য কোনো কৃষক সম্প্রদায়ের মতো একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী। জাম্বিয়া এবং মোজাম্বিকের সাথে জিম্বাবুয়ের সীমানায় বসবাসকারী সম্প্রদায়টি দেশের বাকিদের মতোই পরিশ্রমী লোকদের নিয়ে গঠিত। এটি বিশ্বাস করা হয় যে জাতিগোষ্ঠীটি মোজাম্বিক থেকে স্থানান্তরিত হয়েছিল। কিন্তু কিছু ডোমা লোক যুক্তি দেয় যে তারা একসময় পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে বাস করত। জাম্বেজি নদীর অববাহিকা দখলকারী সম্প্রদায়টি প্রধানত তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য নদীর উপর নির্ভর করে। ছোট-বড় সবাই সাধারণ বাঁশের লাঠি, তার ও হুক দিয়ে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে মাছ ধরা শিখেছে। যাইহোক, জিম্বাবুয়ে জুড়ে অন্যান্য সম্প্রদায়ের অনেক ডোমা লোককে যা প্রধানত আলাদা করে তা হল তাদের বড় পায়ের আঙ্গুল, যা সাধারণত প্রতিটি পায়ে দুটি করে থাকে। তিন-আঙ্গুলের পায়ে খেলাধুলা করার লোকও কম। পায়ের আঙ্গুলগুলি এত বড় যে যারা তাদের মধ্যে খেলাধুলা করে তারা জুতা পরতে পারে না, যদি গ্রামবাসীদের সামর্থ্য থাকে বা জুতা দেওয়া হয়। আশ্চর্যজনকভাবে, কিছু লোকের পা স্বাভাবিক থাকে, যাদের দুই বা তিন পায়ের আঙ্গুল আছে তাদের মধ্যে কয়েকজন তাদের থেকে দূরে সরে যায় এবং শুধুমাত্র তাদের সাথে যোগাযোগ করে যাদের খেলাধুলার অনুরূপ অক্ষমতা রয়েছে। ভাডোমা জনগণের প্রবীণরা দাবি করেন যে তাদের দূরবর্তী পূর্বপুরুষরা পাখির মতো প্রাণীর থেকে এসেছেন এবং তাদের ডিএনএ প্রথম পৃথিবীর নারীদের সাথে মিশ্রিত করে সন্তান উৎপাদন করেছেন। প্রবীণরা বলেছেন যে তাদের প্রাচীন পূর্বপুরুষরা সিরিয়াসের তারা থেকে এসেছেন এবং আমাদের সৌরজগতের মধ্যে একটি গ্রহে প্রথম উপনিবেশ স্থাপন করেছিলেন যা তারা লিটোলাফিসি হিসাবে উল্লেখ করে। আফ্রিকার জিম্বাবোয়ের “ডোমা” বা “ভডোমা” জনগোষ্ঠীর ২৫% সদস্যদের এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যটি হল “উটপাখির মতো পায়ের পাতা”! চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই ঘটনাকে বলে “ইকট্রোড্যাক্টিলি”! এর কারণ হল এই জনগোষ্ঠীর অটোজোমাল ক্রোমোজোম সেটের ৭ নং ক্রোমোজোমে একটি ডমিন্যান্ট মিউটেশন। নিজেদের ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর বাইরে এদের বিয়ে করা নিষিদ্ধ, ফলে এদের জিনপুল খুবই ছোট, যার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এর ফলে এঁদের জীবনযাপনে কোন অসুবিধা হয় না।
Nov 5, 2022
5 min

এমন এক রেস্টুরেন্ট আছে যেখানে আপনি অর্ডার দেবেন এক, আর সার্ভ হতে পারে অন্য, কিন্তু কিছু বলা যাবে না!
পৃথিবীর কোথায় এমন রেস্টুরেন্ট আছে জানেন কি যেখানে আপনি অর্ডার করলেন এক ধরণের খাবার, আর সার্ভ হতে দেখলেন পেয়েছেন পুরো অন্য ডিশ? আপনি প্রতিবাদ করতে পারবেন না কারণ ওই রেস্টুরেন্টে খেতে গেলেই শর্ত আছে যে যেমন খাবারই দেওয়া হোক না কেন আপনাকে সেটাই খেতে হবে! আর বিলও পুরোই মেটাতে হবে! রেস্টুরেন্টটি আজব হলেও ভিড় কিন্তু সেখানে কম নেই! রেস্টুরেন্টটির নাম হল,'The Restaurant of mistaken orders' !! আসুন বিস্তারিত জেনে নিই এই রেস্টুরেন্টটির সম্বন্ধে।
Nov 4, 2022
4 min

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা 'উত্তরাধিকার' কবিতাটি আবৃত্তি শুনুন ভাস্বতী ভট্টাচার্য্যর কন্ঠে!
Sep 12, 2020
2 min

কবিতা সিংহের কবিতা 'আমি সেই মেয়েটি' কবিতাটি পাঠ করেছে ভাস্বতী ভট্টাচার্য্য।
Aug 6, 2020
4 min
Load more
